যদি স্মৃতি মুছে ফেলা যেত—তবে কি শান্তি আসত?
মানুষ ভাবে, কষ্টের মূল কারণ স্মৃতি।ভাবনাটা সহজ—স্মৃতি নেই মানেই ব্যথা নেই।কিন্তু সত্যিটা এত সহজ না। আমরা যে রাতে ঘুমাতে পারি না,যে সময় হঠাৎ চুপ হয়ে যাই,যে জায়গায় গিয়ে বুকটা ভারী লাগে —ওগুলো কি শুধু স্মৃতির দোষ? নাকি আমরা নিজেরাই সেই স্মৃতির ভেতরে বারবার ফিরে যাই? ধরা যাক, একদিন সত্যিই এমন হলো— একটা বোতাম চাপ দিলেই সব কষ্টের স্মৃতি ডিলিট। ভাঙা সম্পর্ক, অপমান, হারিয়ে ফেলা মানুষ— সব পুফ 💨 গায়েব। প্রথম কয়েকদিন হয়তো শান্তি লাগবে।মাথা হালকা, বুক ফাঁকা।কিন্তু প্রশ্ন হলো— তখন তুমি কি আগের তুমি থাকবে? স্মৃতি শুধু ব্যথা না। স্মৃতি হলো শিক্ষা। স্মৃতি হলো সতর্কতা। স্মৃতি হলো “এই জায়গায় আবার ভুল করিস না” এই নীরব সাবধানবাণী।যদি সব মুছে ফেলো,তাহলে আবারও একই মানুষকে বিশ্বাস করবে,একই ভুলে পড়বে,একই কষ্টে ভাঙবে।শান্তি পাবে না —শুধু নতুন করে আহত হবে।আরেকটা কথা —আমরা যে ভালো মানুষ হতে চাই, সেটার পেছনেও স্মৃতির অবদান আছে। যে কষ্ট পেয়েছে, সে জানে কষ্ট দেওয়া কতটা ভয়ংকর। যে ভেঙেছে,সে জানে ভাঙা মানুষকে কিভাবে ধরতে হয় স্মৃতি মুছে গেলে হয়তো তুমি হাসবে,কিন্তু তুমি গভীর হবে না।...